সত্যজিৎ দাস:
সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি পোহানোর দিন শেষের পথে। ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালুর মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই নির্দিষ্ট সময়ে সিরিয়াল নেওয়া সম্ভব হবে,যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজ,দ্রুত এবং স্বচ্ছ করে তুলবে।
এই লক্ষ্যে সোমবার ৪ মে ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (MIS) এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের ই-ফেক্টিভ গভর্ন্যান্স প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালাটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ খোরশেদ আলম, পরিচালক (এমআইএস) ডা. আবু আহম্মদ আল মামুন, প্রকল্পের টিম লিডার আর্সেন স্টেপানিয়ান এবং প্রকল্প কনসালট্যান্ট ও সাবেক পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অতিরিক্ত সচিব মোঃ খোরশেদ আলম তার বক্তব্যে বলেন,ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে রোগীদের অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট কমবে এবং স্বাস্থ্যসেবায় একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন,ডিজিটাল প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে সরকারি হাসপাতালের সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে ৪টি হাসপাতালে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এখন ধাপে ধাপে সারাদেশে এই সেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীরা ঘরে বসেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে আউটডোর টিকিট ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারবেন। ফলে হাসপাতালের ভিড় কমবে এবং সেবা প্রদান প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও কার্যকর।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন,ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ই- গভারেন্স একাডেমি (eGA)-এর কারিগরি সহায়তায় গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের অধীনে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

