জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত আগ্রাসনে যারা অন্যায়ভাবে ইরানের বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছে বা সহযোগিতা করেছে, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
শুক্রবার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে ইরাভানি অভিযোগ করেন, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত ও জর্ডান বাস্তব পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে ইরানের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ ও আগ্রাসী হামলা চালিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি জানান, এ সংঘাতে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং এক লাখের বেশি আবাসিক ভবনসহ বহু বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড বা সামরিক সহযোগিতার ভূমিকা অস্বীকার করলেও বাস্তবতা ভিন্ন। ইরানের দাবি, কিছু দেশের ভূখণ্ডে থাকা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করেই এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে।
ইরাভানি বলেন, এসব কর্মকাণ্ড আত্মরক্ষার বৈধতার আওতায় পড়ে না, বরং তা জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী আগ্রাসনের শামিল। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এ বিষয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে।
শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে জড়িত বা সহযোগিতাকারী সব রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ক্ষতিপূরণসহ জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
সূত্র: মেহের নিউজ

