কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশবাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছাও জানান।
তিনি জানান, দেশের ১১টি উপজেলায় প্রি-পাইলটিং হিসেবে ২২ হাজার কৃষকের জন্য ১০টি সুবিধাসংবলিত কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ মওকুফের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে এ সুবিধার আওতায় এসেছে এবং পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, কৃষি খাতে উৎপাদন বাড়াতে খাল ও নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে বন্যার পানি সংরক্ষণ ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে বলে উল্লেখ করেন।
তিনি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কোল্ড স্টোরেজ ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেন। বিশেষ করে টাঙ্গাইলের মধুপুর অঞ্চলে আনারস সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রী আমিন উর রশীদের সভাপতিত্বে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী ১৫ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন এবং কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি, ঋণ ও কৃষি উপকরণ সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়।

