১২ মার্চ বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই অধিবেশনে নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সভাপতি মনোনিত করা হয়েছে।
সাধারণত নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন পরিচালনা করেন আগের সংসদের স্পিকার। তবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি বর্তমানে পলাতক। ডেপুটি স্পিকারও একাধিক মামলায় কারাবন্দি। এ কারণে সংসদের একজন প্রবীণ সদস্য হিসেবেড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন।
সংসদের কার্যপ্রণালি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতে পারেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনের পর সরকারি দল ও বিরোধী দলের আলোচনার ভিত্তিতে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার নজির রয়েছে। এবারও সেই রীতি অনুসরণ করে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জীবনী: জন্ম: ১ অক্টোবর ১৯৪৬, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রাম।
শিক্ষা ও কর্মজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান; গবেষক, ভূ-বিজ্ঞানী, লেখক ও কলামিস্ট।
রাজনৈতিক জীবন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী; ১৯৭৯ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ, ১৯৯১ সালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত।
মন্ত্রিত্ব: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী। সামাজিক অবদান: দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলার উন্নয়ন, মেঘনা উপজেলা বাস্তবায়ন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন, মৎস্য খাত উন্নয়ন।
সম্মাননা: দেশ-বিদেশে স্বর্ণপদকসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত। রাজনৈতিক কারাবরণ: ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৭, ২০১২ ও ২০১৪ সালে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলায় গ্রেফতার হয়ে প্রায় ৫ বছর কারাভোগ।

