খুলনার পাইকগাছায় সড়ক সংস্কারের আড়ালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)-এর আন্ডারগ্রাউন্ড সংযোগ ক্যাবল অপসারণ হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।
তবে ক্যাবল অপসারণের কোনো লিখিত অনুমোদন, হিসাব বা আর্থিক রেকর্ড নেই।
দায়িত্বপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ান মোখলেছুর রহমান ও লাইনম্যান আলেক গাজী কোনো সুস্পষ্ট অফিসিয়াল হিসাব উপস্থাপন করতে পারেননি। মোখলেছুর জানান, “সড়ক থেকে যে তার পাওয়া গেছে, সেই তার স্টোর রুমে আছে,” তবে অপসারিত কেবলের স্টোর রেজিস্টার, স্টক এন্ট্রি বা গ্রহণ-বিবরণী দেখাতে পারেননি। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবহারযোগ্য কেবল পুনর্ব্যবহার এবং অকেজো কেবল স্ক্র্যাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে স্ক্র্যাপ চিহ্নিতকরণ বা নিলামের কোনো লিখিত আদেশ নেই।
লাইনম্যান আলেক গাজী মোবাইলে কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি এবং বলেন, “আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আছে, উনার সঙ্গে কথা বলেন। আমি কিছুই জানি না।
বিটিসিএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (খুলনা) মো. বেঞ্জুর রহমান বলেন, “ভালো মানের কেবল উত্তোলন হলে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং নথিভুক্ত করতে হবে। কতগুলো কেবল উঠেছে তা নোট করা এবং ডকুমেন্টারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে হবে। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, সড়ক খননের আড়ালে ক্যাবল অপসারণের ঘটনাটি নিরপেক্ষ তদন্ত ও পূর্ণাঙ্গ অডিটের মাধ্যমে খুঁজে বের করা প্রয়োজন।


