অমৃত জ্যোতি (মধ্যনগর) সুনামগঞ্জ:
বাংলাদেশর উত্তরপূর্বাঞ্চলের প্রায় সাতটির অধিক জেলায় রয়েছে বড়বড় অসংখ্য হাওর।এরমধ্যে সিলেট,সুনামগঞ্জ,মৌলভীবাজার,হবিগঞ্জ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলা।মাছে ভাতে বাঙ্গালীর বেচে থাকার লক্ষ্যে অগনিত হাওরে উৎপাদন হয় সোনালী ধান,প্রাকৃতিক সুস্বাদু দেশীয় মাছ,বিভিন্ন জাতীয় ঘাস,গবাদিপশু ও গৃহপালিত পশু পালন তাছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বৈচিত্র্যময়ী হাওর গুলো।
তবে আকস্মিক বন্যা,নদীভাঙ্গন,নাব্যতা সংকট,বজ্রপাতে প্রাণহানি,শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা,অবকাঠামো এবং যোগাযোগের দিকদিয়েও পিছিয়ে রয়েছে হাওরাঞ্চল।এসব জেলার প্রকৃতিক দূর্যোগযেন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের “হাওর বিষয়ক মন্ত্রনালয়”গঠনের জনগুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে দাবী করেন, বাংলাদেশ হাওর ভলান্টিয়ার্স মধ্যনগর উপজেলার আহ্বায়ক অসীম সরকার।
চলিতি মাসের এগারোই’মে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি লিখিত আবেদনে প্রোজনীয়তা ব্যাখা করেন।ভুক্তভোগী হাওরাঞ্চলের জনগনের পক্ষে “হাওর বিষয়ক মন্ত্রনালয়” গঠন হলে সুবিধাগুলো তুলেধরে তিনি বলেন-
১।হাওর এলাকার জন্য পৃথক ও সমন্বিত নীতি প্রনয়ন সম্ভব হবে।
২।উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি ও কার্য্যকারিতা বাড়বে।
৩।দূর্যোগ ব্যাবস্থপনা আরো শক্তিশালী হবে।
৪।জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া যাবে।
৫।স্থানীয় জনগনের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
আবেদনের অনুলিপি বাংলাদেশ মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ সচিব,সিলেট বিভাগীয় কমিশনার,কার্যালয়,জেলা প্রশাসক,কিশোরগঞ্জ,নেত্রকোনা,হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও কার্যালয়ে প্রেরন করা হয়েছে।
হাওরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থে “হাওর বিষয়ক মন্ত্রনালয়”প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী’র সদয় দৃষ্টিতে বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করার আবেদন জানান কবি অসীম সরকার।

