মুহাম্মদ আল্-হেলাল,
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর তথা পৃথিবী রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্কে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে একজন
ভারতীয়-উগান্ডান-আমেরিকান মুসলিম তরুন জোহরান মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা সারাবিশ্ব আলোড়িত হয়েছে। সেই জোহরান মামদানীর ইন্টারভিউ অনেক সাংবাদিকের ন্যায় বাংলাদেশের আলোচিত সাংবাদিক মার্কিন প্রবাসী
খালিদ মহিউদ্দিনও নিয়েছেন। জোহরান মামদানীর ইন্টারভিউ সঙ্গত কারণেই তিনি ইংলিশ ভাষায় নিয়েছেন। এই ইন্টারভিউ নেওয়ার সময় খালিদ মহিউদ্দিন সাবলিলভাবে ইংলিশ বলেননি বা বলতে পারেননি যেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাইরাল হয়েছে বা অনেকে ট্রল করছেন বলা যায়।
খালিদ মহিউদ্দিন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করেছেন। আমার জানামতে যদিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অক্সফোর্ডের সাথে তুলনা করা হয় শুধু মাত্র ভবনগুলোর স্ট্রাক্সার এবং কিছু টেকনিক্যাল নিয়ম-কানুনের সাথে মিল থাকার কারণে লেখাপড়া বা গবেষনার কোন মানের কারণে নয়। খালিদ মহিউদ্দিন বাংলাদেশের সোনার হরিণ খ্যাত বিসিএস ক্যাডার ছেড়ে সাংবাদিকতা করেন। অনেক দিন ধরে বিদেশে আছেন। বর্তমান থাকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এদেশের এরকম একজন সেরা যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই এদেশের আইকনদের মধ্যে অন্যতম একজনে পরিণত হয়েছেন তিনি সাবলীলভাবে ইংলিশ বলতে পারেন না বা ইংলিশ ভাষার দক্ষতা কম যেটি নেটিজেনরা মেনে নিতে পারছেন না। সেজন্য বোধ হয় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল বা ট্রলের কারণ।
আমাদের অধিকাংশ উচ্চ শিক্ষিতদেরই ইংলিশ ভাষার দক্ষতা কম বা নাই বললেই চলে আর খালিদ মহিউদ্দিন এদেশের শিক্ষায় শিক্ষিত বা আমাদের পরিবেশেরই সদস্য। একজন মানুষ সকল দিক দিয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে পারেননা। যদি প্রকৃত পক্ষে তার ইংলিশ ভাষার দক্ষতা কম থাকে সেজন্য তিনি নয় বরং আমাদের পরিবেশ বা শিক্ষা ব্যবস্থাই দায়ী যেটির ইতিবাচক পরিবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি।
সদ্য আর্ন্তজাতিক সর্ম্পকবিভাগ থেকে মাস্টার্স ভাইবা দিলাম ফলাফল দিতে বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এরই মধ্যে একটি স্থানীয় এনজিও যাদের সাথে পরিচয় ঘটেছিল এক বন্ধুর মাধ্যমে তারা তাদের প্রশিক্ষণ প্রকল্পের ম্যাটেরিয়াল গুলো ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ বা বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ এবং নিউজিল্যান্ড থেকে যে প্রশিক্ষক ট্রিশ সামার ফিল্ড আসবেন তার সার্বক্ষনিক সহযোগি অর্থাৎ দোভাষী কাম ট্যুরিস্ট গাইড হিসাবে কাজ করতে হবে এমন দায়িত্ব দেয় আমাকে। আমার মধ্যে এক ধরনের উত্তেজনা কাজ করছে যদিও আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই মনে হতো কর্মজীবনে শুধু আর্ন্তজাতিক পরিমন্ডলে বিদেশিদের সাথে কাজ করতে হবে যেটি বাংলাদেশ ব্যবস্থাপনায় অলীক কল্পনা মাত্র।
দায়িত্ব নিয়ে কাজ করা শুরু করলাম প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরুর দিনক্ষন এগিয়ে আসছে এরই মধ্যে ইসলামিক রিলিফ, ইউকে নামক একটি আইএনজিও অর্থাৎ আর্ন্তজাতিক এনজিওর ঢাকার বারিধারা অফিস থেকে রুমেনা নামক একজন গনসংযোগ কর্মকর্তা ফোন করেন তাদের অফিসে গিয়ে কিভাবে তাদের সাথে কাজ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করার জন্য কারন তাদের সাথে কাজ করার জন্য আগেই আবেদন করেছিলাম।
আমার ধারনা ছিল একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে সেই চাকরি ছাড়া যায়না তাই ঐ জনসংযোগ কর্মকর্তাকে জানিয়ে দিয়েছিলাম অলরেডি একটি স্থানীয় এনজিও কে কমিটমেন্ট দিয়েছি তাদের সাথে কাজ করার জন্য। আমি নিশ্চিত ঐ কর্মকর্তা আমাকে বোকা বলেই ধরে নিয়েছেন যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে ১০/১২ টি কর্মস্থল বদল করেছি। ঐ প্রশিক্ষণ কর্মশালা থেকে যে বেতন পেয়েছিলাম তা দিয়ে অফিসে যাওয়া আসার খরচও হয়নি। যদিও নিয়োগ কর্মকর্তা আমাকে বলেছিলেন চলতে পারবেন এই বেতন দিয়ে যাকে এখনও প্রতারক হিসাবেই কাউন্ট করি যদিও তার সাথে এখন যোগাযোগ নেই।
ইতোমধ্যে প্রশিক্ষক ট্রিশ সামার ফিল্ড তার কর্মস্থল ভিয়েতনাম থেকে উড়ে এসে ঢাকা হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরন করলেন। আমরা ট্রিশকে উষ্ণ সম্বর্ধনা দিয়ে বনানীর শ্রীলংকান হোটেল রয়েল পার্কে রাখার ব্যবস্থা করলাম। ট্রিশের সাথে টাইম ঠিক হলো আমি প্রতিদিন সকাল ৮ টায় একটি প্রাইভেট কার নিয়ে উত্তরা থেকে এসে ট্রিশকে নিয়ে মোহাম্মদপুর অফিসে যাব এবং তার সাথে সর্বক্ষণ থাকব তার যেকোন সহযোগিতার জন্য। প্রশিক্ষণ শেষে তাকে আমি আবার বনানী রেখে উত্তরা চলে যাব। এভাবে চলতে থাকল যদিও একদিন আমার ২ মিনিট দেরি হলে তিনি নিজেই গাড়ি ঠিক করে চলে গিয়েছিলে অফিসে।
একদিন বনানী থেকে মোহাম্মদপুর যাওয়ার সময় তিনি বললেন হেলাল ভাই I want to take some curry powder from your country আমি উত্তর দেওয়ার পূর্বেই আমাদের গাড়ীর চালক উত্তর দিলেন It’s not possible on the way আমি চালকের উত্তর শুনে অবাক হয়ে গেলাম। উল্লেখ্য ট্রিশ আমাকে হেলাল ভাই বলতেন কারণ তার ১৮ দিনের বাংলাদেশ সফরে আমি তাকে কিছু বাংলা শেখাতে পেরেছিলাম।
তারপর থেকে ট্রিশ এবং চালক ঢাকা শহরের বিভিন্ন বিষয়ে অনবরত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন আর আমি শ্রোতার ভূমিকা পালন করছিলাম এবং মাঝে মাঝে একটু কথা বলছিলাম। এবার অফিসে পৌছানোর পর চালক কে লেখাপড়া কতটুকু করেছেন জিজ্ঞাসা করলে চালক যে উত্তর দিলেন তার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। আমি মারাত্মকভাবে অবাক হয়েছিলাম কারন তিনি যে জবাব দিয়েছিলেন তা হলো তিনি চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত কোন রকম বিদ্যালয়ে গিয়েছেন যেটাকে বলে নামকাউয়াস্তে।
তিনি বসবাস করছেন বস্তি এলাকায় তার বেড়ে ওঠাও বস্তি এলাকায়। তার সম্পর্কে জানার আরো আগ্রহ বেড়ে গেল। জানতে চাইলাম ইংলিশ কিভাবে শিখলেন তিনি বললেন হলুদ ট্যাক্সি চালাই উত্তরা, বনানী, গুলশান এলাকায় আর বেশির ভাগ বিদেশি যাত্রীদের গাড়ীতে উঠাই। তারা গাড়ীর মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা করেন আমি তাদের আলোচনা শুনি মাঝে মাঝে দুই একটা উত্তর দেই এভাবে ইংরেজি শিখেছি। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অধিকাংশ টিচারও ক্লাসে অনবরত ইংলিশ কথা বলার পরিবেশ তৈরি করেন না বলেন না বা বলতে পারেন না তাহলে আমাদের শিক্ষার্থীরা কিভাবে শিখবেন। কেউ কেউ শিখতে চাইলে সেটি তাদের ব্যক্তি উদ্যোগে শিখতে হয়। আবার ক্লাসে বা পরিচিত জনদের মাঝে ইংলিশ অনুশীলনের উদ্দেশ্যে বললে উপহাস করা হয়।
আরেকটি বিষয় হলো বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির পূর্বে রুকাইয়া স্মরণীতে আমার বাসা ছিল। রুকাইয়া স্মরণী দিয়ে দেখতাম লাল সবুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ী চলতে এবং আমার মনের মধ্যে তীব্র বাসনা জাগতো এই গাড়ীর লিগ্যাল যাত্রী হওয়ার জন্য। পরবর্তীতে অবশ্য উভয় গাড়ীর লিগ্যাল যাত্রী হওয়ার সুযোগ হয়।
একদিন সবুজ গাড়ীতে দেখলাম লাল গাড়ীর ইংলিশ বিভাগের একজন শিক্ষার্থী এবং সবুজ গাড়ীর বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী দুজন বন্ধু আমার সামনের আসনে বসে ব্যক্তিগত, জাতীয়, আর্ন্তজাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ইংলিশ কথা বলছেন। আমি
লক্ষ্য করছিলাম যিনি বাংলার শিক্ষার্থী তুলনামূলক তিনি ইংলিশ ভাল পারদর্শী। লাল গাড়ী হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সবুজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ী।
অন্য আরেকটি উদাহরণ দিয়ে শেষ করতে চাই সেটি হলোআমি কর্মজীবনে শিক্ষা মন্ত্রালয়ের অধীনে কিছুদিন মাধ্যমিক পর্যায়ের ইংলিশ টিচারদের প্রশিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। আমার পদবী ছিল “Resource Teacher-English মন্ত্রনালয় থেকে আমাদের বলা হতো আপনারা ট্রেইনার নয় সহকর্মী মুডে থাকবেন তানাহলে টিচাররা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন অর্থাৎ ছদ্মবেশী প্রশিক্ষক।
অভিজ্ঞতায় যা দেখলাম আমাদের টিচাররা ইংলিশ ক্লাসেই ইংলিশ কথা বলতে স্বস্তিবোধ করেন না, অভ্যস্ত নয় অথবা পারদর্শী নয়। সেটি প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা কোন পর্যায়ই নয়। যে কয়েকজন আছেন সেটি ব্যতিক্রম। প্রশিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে আমি নবম অথবা দশম কোন একটি শ্রেণির ইংলিশ ক্লাসে উপস্থিত। উক্ত ইংলিশ টিচার আমার উপস্থিতে একজন শিক্ষার্থীকে বলছেন “এই তুমি নিজের সম্বন্ধে কিছু ইংলিশে বল” কিন্তু শিক্ষার্থী বলতে পারছেনা বা অস্বস্তিবোধ করছে। তখন আমি টিচারকে বললাম Sir first make the environment telling him please tell me something about yourself then learner would be inspired to speak in English যাহোক টিচার কিছুটা অস্বস্তিবোধ করলেও সেটি উদ্দেশ্য ছিলনা। উদ্দেশ্য ছিল আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন ইংলিশ লেখা, পড়ার পাশাপাশি বলা এবং শুনে বুঝার দক্ষতা অর্জন করতে পারে। অর্থাৎ ভাষার যে চারটি দক্ষতা আছে তা আমাদের দেশে অনেকটা reading, writing এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সেটিকে উন্নীত করে প্রকৃত পক্ষে ভাষার দক্ষতা বলতে যে ৪টি দক্ষতা listening, speaking, reading and writing বুঝায় তা অর্জনকরতে হলে কিছু করনীয় আছে তাহলো:
ক. শ্রেণিকক্ষে ইংলিশ ভাষা হোক বা আরবি ভাষা হোক বলার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমাদের দেশের শ্রেণিভিত্তিক যে কক্ষ আছে সেগুলিকে বিষয়ভিত্তিক যেমন ইংলিশ, আরবি, গণিত, বিজ্ঞাণ, কুরআন প্রত্যেক বিষয়ের
জন্য ভিন্ন ভিন্ন কক্ষ তৈরি করতে হবে। উক্ত কক্ষগুলোকে নির্দিষ্ট বিষয় বা ভাষার বিভিন্ন শ্লোক বা ফরমুলা লিখে সজ্জিত করতে হবে। যেন শিক্ষার্থী উক্ত রুমে প্রবেশের সাথে সাথে উক্ত বিষয়ের মধ্যেই প্রবেশ করতে পারে।
যেমন কুরআনের কক্ষগুলোতে কুরআনের মানব সমাজের বর্তমান বিভিন্ন সমস্যার সমাধান রয়েছে এমন আয়াতগুলো লেখা থাকবে। আরবি কক্ষগুলোতে আহমদ শওকী, ইমরুল কায়েসের মত বিভিন্ন লেখকদের লেখা থাকবে দেওয়াল গুলোতে। তদ্রুপ ইংলিশ কক্ষে সেক্সপিয়ার, মিল্টন, ওয়াডসওয়ার্থ ইত্যাদির লেখাগুলো থাকবে। বিজ্ঞান কক্ষে বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কার ইত্যাদি থাকবে।
খ. প্রত্যেক বিষয়ের জন্যই ইংলিশ ভাষায় বা আরবি ভাষায়দক্ষ এমন টিচার নিয়োগ দিতে হবে।
গ. মুখস্ত বিদ্যা নির্ভর রচনা, দরখাস্ত, চিঠি শেখানো বন্ধ করে শিক্ষার্থীকে তার বাস্তব জীবনে প্রায়োগিক বা পরিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী করে তুলতে হবে যেমন জীবন ঘনিষ্ট ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দিতে হবে।
ঘ. কমপক্ষে সাগর পাড়ের শিক্ষার্থীদের সাগরের আর পাহাড়ী শিক্ষার্থীদের পাহাড়ের রচনা শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে। বিপরীতে তারা বাজার থেকে গাইড বই কিনে মুখস্ত করবে ভিতরের বিষয়গলো না বুঝেই।
ঙ. গাইড বই নিষিদ্ধ করে প্রকৃতপক্ষে ইংলিশ ভাষা বা আরবি ভাষায় দক্ষ এমন প্রশিক্ষক দিয়ে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে টিচারদের আগে দক্ষ করে তুলতে হবে।
চ. প্রত্যেক শ্রেণিতে কমপক্ষে প্রথম ৬ মাস বা একটি নির্দিষ্ট সময় শুধুমাত্র ইংলিশ বা আরবি ভাষায় ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। সম্ভব হলে শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে রাখতে হবে।
একটি বিষয় লক্ষণীয় আমাদের দেশের প্রবাসী শ্রমিকরা বেশিরভাগ মধ্যপ্রাচ্যে যায় সেখানে আরবি ভাষায় কথা বলতে হয়। আরবি ভাষা তেমন শিখে যায় না কিন্তু বিদেশে গিয়ে ঐ দেশের ভাষায় কথা বলতে বাধ্য হয় বা একটি পরিবেশ পায় ফলে
বলতে বলতে এবং শুনতে শুনতে তারা বিদেশি ভাষা মাতৃভাষার মতোই শিখে যায় ১/২ মাস বা সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে।তারা এই দেশ থেকে আরবি বলা শিখে যেতে পারেনা কারণ এই দেশে ইংলিশ বলা শেখানোর জন্য কিছু লোক পাওয়া গেলেও আরবি শেখানোর লোক পাওয়া যায় না বললেই চলে।
সুতরাং উপরিউক্ত করনীয় অনুস্বরণ করলে আমরা শুধু ইংলিশ, আরবিতে পারদর্শী নয় বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক পারদর্শী তৈরি করতে পারব আমাদের ব্যবস্থাপনা থেকে এবং বিশ্বায়নের যুগে ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারাবিশ্বে আমাদের শিক্ষার্থীরা আগামীতে নেতৃত্ব দিতে পারবে ইনশা আল্লাহ।
এমফিল গবেষক(এবিডি)
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
alhelaljudu@gmail.com

