রাজধানীর কমলাপুরসহ গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও শরিয়তপুরে রাতে যানবাহনে ধারাবাহিক অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি স্থানে আগুন লাগানো হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা রাশেদ বিন খালিদ বৃহস্পতিবার সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত পৌনে তিনটার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের সামনে থেমে থাকা একটি হিউম্যান হলার বা লেগুনায় আগুন দেওয়া হয়।
দ্রুত ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাত আড়াইটার দিকে টাঙ্গাইলের রাওয়াইলে থেমে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। বাসটিতে কেউ ছিলেন না।
এরপর রাত সাড়ে তিনটার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় একটি পেপার মিলের সামনে থেমে থাকা ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
একই সময়ে গোপালগঞ্জ শহরের গণপূর্ত অফিসের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পাজেরো ও একটি পিকআপে আগুন দেওয়া হয়।
এছাড়া শরিয়তপুরের জাজিরায় একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
আজ ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে গোপালগঞ্জ গণপূর্ত কার্যালয়ের সামনে আরও একটি পিকআপে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত সারাদেশে ২০টি চোরাগোপ্তা হামলার ঘটনা ঘটে।
এসব ঘটনায় একটি ব্যাংক, ১০টি বাস, এক ট্রেন ও এক অটোরিকশায় আগুন,
এছাড়া পাঁচ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ এবং দুই স্থানে পেট্রোল বোমা হামলা হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, ধারাবাহিক এই অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো প্রাণহানি না হলেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সব ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দুর্বৃত্তদের শনাক্তে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা চলছে।

