খুশকি একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অনেকের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে শীতকালে এ সমস্যা বেড়ে যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই অ্যান্টি-ড্যানড্রফ শ্যাম্পু বা পার্লার ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করেও স্থায়ী সমাধান পান না।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, খুশকি মূলত একটি চর্মরোগ, যার চিকিৎসা পরিভাষা ‘সেবোরিক ডার্মাটাইটিস’। এটি সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে হয়ে থাকে—ছত্রাক সংক্রমণ, মাথার ত্বকে মৃত কোষ জমে যাওয়া এবং পরিবেশগত দূষণ।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ধুলাবালি ও দূষণ কণা চুলের গোড়ায় জমে স্ক্যাল্পে সমস্যা তৈরি করে, যা খুশকির অন্যতম কারণ। এছাড়া মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন এবং খাদ্যাভ্যাসও এই সমস্যাকে প্রভাবিত করে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা খুশকি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার শ্যাম্পু করা এবং স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। দূষণপ্রবণ এলাকায় প্রতিদিন চুল ধোয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।
তবে খুশকি কমতে না চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলে উল্লেখ করেন তারা। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী মেডিকেটেড শ্যাম্পু বা ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে।
অ্যান্টি-ড্যানড্রফ শ্যাম্পু প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা জানান, শ্যাম্পুর মূল কাজ হলো স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখা। তাই নিয়মিত ও সঠিকভাবে যেকোনো মানসম্মত শ্যাম্পু ব্যবহার করলেই উপকার পাওয়া যায়। খুশকি নিয়ন্ত্রণে আলাদা পণ্যের চেয়ে নিয়মিত পরিচর্যাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মত তাদের।

