মধ্যনগর(প্রতিনিধি)সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে প্রকাশিত খবরে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউপি সদস্য মোঃফুয়াদ মিয়া।
৩১শে মার্চ একুশে সংবাদ ডটকম ও আজকের বাংলাদেশ পত্রিকায় “বিএনপি নেতা কতৃক বিএনপি নেতা লাঞ্ছিত”শিরোনামে প্রকাশিত খবরে সামান্য কাথার কাটাকাটির বিপরীতে উপরোক্ত শিরোনাম ব্যবহার করা হয়েছে। ১লা এপ্রিল ইউপি সদস্য ফুয়াদ মিয়া গণমাধ্যমে একবিবৃত্তিতে জানান ৩০শে’মার্চ সোমবার প্রায় এগারোটার সময় কাদিপুর বাজারে মতিন ভাইয়ের দোকানে আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিনয় সরকার ও আমার মধ্যে সামান্য কথার কাটাকাটি হয়।
হেনস্থা বা লাঞ্চিতের মতো কোন ঘটনা ঘটেনি।যাহা বিনয়ের স্বার্থন্বেষী কাজে আমার সহায়তা না পাওয়ার জন্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য আমাকে জরিয়ে মিত্যা অপবাদ চালাচ্ছে যাহা সম্পুর্ন মিত্যা বানোয়াট।এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমার বিরুদ্ধে আনিত ও প্রকাশিত খবরটির তীব্র নিন্দার সহিত প্রতিবাদ জানাচ্ছি।আপনারা সরেজমিনে আসুন দেখুন। আমরা দুজনের মধ্যকার কাথার কাটাকাটির বিষয়টি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক কামাল খন্দকার’কে অবগত করেছি। আমার ভুল থাকলে এলাকাবাসীকে নিয়ে বিচার করুন আমি মাথা পেথে নেব।
বিএনপি নেতা কাহালা গ্রামের বিনয় সরকারের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে ফোনটি বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে চামরদানী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেনে ও সাধারণ সম্পাদক কামাল খন্দকারের সাথে কথা বললে তিনিরা জানান,স্থানীয় লোকজন ও উভয়ের সাথে কথা বলে যতটুকু জেনেছি তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেনি।যদি কোন রকম অপৃত্তিকর ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে নেতৃবৃন্দ ও সকলকে নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে চুড়ান্ত বিচার করা হবে।

