আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া )প্রতিনিধি:
গণভোট নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন তাদের জানার পরিধি কম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব (সিনিয়র সচিব) শফিকুল আলম। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পুরো পৃথিবীতেই সরকার গণভোট নিয়ে পক্ষ নেয়। কখনো হ্যাঁ এর পক্ষ নেয় কখনো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা তো সংস্কারের পক্ষে দেশের অপশাসন দূর করতে হবে। শেখ হাসিনার মতো যেন আর দৈত্য দানব না হয় সেজন্য ‘হ্যাঁ’ দিতে বলছি। চুরি চামারি বন্ধ করতে হলে হ্যা ভোটের পক্ষ নিতে হবে। কারণ আপনারা দেখেছেন যে, তারা (বিগত সরকার) ব্যাংকের টাকা চুরি-চামারি করে চেটে চেুটে খেয়ে গেছে। এখন এটার দায়িত্ব এসে পড়েছে বর্তমান সরকারের উপর।’
শফিকুল আলম শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আসেন। এরপর তিনি আখাউড়ার শাহ সৈয়দ আহমদ গেছুদারাজ (রহ.) এর মাজার শরীফ জিয়ারত করেন। এ সময় আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ-উল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদসহ মাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব আরো বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। নির্বাচন খুব ভালোভাবে হবে। গতকালও কেবিনেট মিটিংয়ে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে কি ধরণের প্রস্তুতি আছে। এবার ফ্রি, ফেয়ার, পিসফুল উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। যত ধরণেল প্রস্তুতি নেওয়া দরকার সেটা করা হয়েছে। নিরাপত্তার প্রস্তুতি শেষ। রিটানিং, পোলিং অফিসারসহ অন্যান্যসহ কার্যক্রমও শেষ। আমরা ওয়েট করছি ভোটের।’ তিনি বলেন, ‘সংস্কারের বিষয়টিই প্যাকেজ আকারে হ্যাঁ ভোটে এসেছে।’
ভোট নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার আশঙ্কার বিষয়টি তিনি উড়িয়ে দেন। শফিকুল আলম বলেন, ‘রুমিন ফারহানার আশঙ্কা অমূলক। আমরা আমাদের কাজ দিয়েই তা প্রমাণ করবো। এই সরকারের কারো প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই।’
যমুনায় তারেক রহমানের পরিবার নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ পারিবারিক সাক্ষাত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন ডিনার হয়েছে। এটা ডাহা মিথ্যা। এটি ছিলো পারিবারিক সৌজন্য সাক্ষাত। এখানে আমাদের অফিসিয়াল কেউ ছিলো না।’

