বিধান মন্ডল (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, আমাদের গোষ্ঠীতে দেয়া ছাড়া নেওয়ার কোনো ইতিহাস নাই। আমার বাবা কেএম ওবায়দুর রহমান যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিন সালথা-নগরকান্দার মানুষকে দিয়ে গেছেন। বরিবার (১১ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের শৌলডুবি গ্রামের মরহুম ফহম মাতুব্বরের বাড়িতে বেগম খালেদা জিয়া রুহের মাগফেরাত কামনা দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমার বাবা মারা পর ১৮ বছর ধরে আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো। মৃত্যু ছাড়া আপনাদের কাছ থেকে আমাকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। আমি আজ নেত্রী হিসেবে বা মনোনয়ন পত্র পেয়ে এখানে আসিনি এসেছি আপনাদের বোন হিসেবে। বিগত দিনে আমার বিরুদ্ধে অনেক যড়যন্ত্র হয়েছে তারপরও আপনাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী সরকারের আমলে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে বহু আলেম-ওলামা হতাহত হয়েছিল। অনেকে হাত-পা হারিয়েছেন ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তখন আলেম-ওলামাকে মিথ্যা মামলায় জেলে রাখা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি এমন একটি দল, যাদের কাছে আলেম-ওলামারা নিরাপদ। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করি না। ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে মানুষের মন জয় করতে চাই। মাদ্রাসা ও মসজিদগুলো সংস্কার করে উন্নত মানের করতে চাই।
তিনি নেতাকর্মীদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সালথা-নগরকান্দায় দুর্নীতি, দখল বাজ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির ঠাই হবে না। কেউ যদি এই গুলো করতে আসে তাকে ধরে পুলিশে দিবেন। আমাদের বিএনপির কেউ জড়িত থাকলে তাকে ধরেও পুলিশে দিবেন।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সহ-সভাপতি মনির মোল্লা, বিএনপি নেতা হাসান মাতুব্বর, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান, বালাম হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ইসরাইল মাতুব্বর, কামরুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কালাম বিশ্বাস, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি ইয়াসিন বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

