আব্দুর রহিম রিয়াদ, ডিমলা(নীলফামারী)প্রতিনিধি
বাং
এটা আমরা বন্ধ করতে চাই।আমি জামায়াতের বিজয় চাই না,আমি ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমি হ্যাঁ ভোটের বিজয় চাই । হ্যাঁ ভোটের বিজয় মানে জনতার বিজয়।মানুষ বাংলাদেশের পরিবর্তন চায়। এবারের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন না। এবার দুটি ভোট— একটি হ্যাঁ অন্যটি না। হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি। হ্যাঁ ভোট মা-বোনদের আশার প্রতিফলন ঘটাবে। আপনারা প্রথম ভোটটা ‘হ্যাঁ’তে দেবেন, দ্বিতীয়টা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে দিয়ে ইনসাফ কায়েম করবেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ও নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার মধ্যবর্তী দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ হেলিপ্যাড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন,তিস্তা এ অঞ্চলের অহংকার।জায়ামাতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে তিস্তা হবে উত্তর অঞ্চলের অর্থনীতির কেন্দ্র বিন্দু।যে কোনো কিছুর বিনিময় হলেও আমরা তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। আমরা বুড়িমারী স্থল বন্দরের উন্নয়ন করব। সড়ক পথ ও রেল পথের উন্নয়ন করব।অতিতের সরকার গুলোর উদ্যেশ্যে তিনি বলেন,এ দেশের মানুষ তোমাদের অনেক দেখেছে এখন বিশ্রামে যাও। এবার আমাদের একটু সুযোগ দাও। আমরা বসন্তের কোকিল নয়। আমরা দেশের উন্নয়ন করব।
জামায়াতে আমীর বলেন, ওরা রাজনীতির নামে দুর্নীতি করেছে। দুর্নীতি আর রাজনীতি এক সাথে চলে না । ওদের রাজনীতি করার অধিকার নেই। আমরা দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ করব। উত্তর অঞ্চল অবহেলিত। এ অঞ্চল থেকেই উন্নয়নের বীজ রোপন করা হবে। উত্তর অঞ্চলে কৃষি শিল্পের রাজধানী করা হবে।তিনি আরও বলেন, একটিদল ভয়ে আছেন। ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমরা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করব। আমরা সবাইকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা জীবন দিবো তবু আমার মা-বোনদের গায়ে হাত দিতে দিবো না। আমরা নারী জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমীর ও লালমনিরহাট-৩ আসনের প্রার্থী আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এ সময় নীলফামারী-(ডোমার-ডিমলা) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা বক্তব্য দেন।

