বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে, পালিয়ে গেছে, কিন্তু অদৃশ্য শক্তি ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। শনিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রি–বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ১৬ বছর ধরে অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছে। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তবে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকার অধিকারের ক্ষেত্রে কোনো দ্বিমত নেই।”
তিনি বলেন, শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন, নারীদের স্বাবলম্বী করা, যুবক ও কিশোরদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষকদের সঠিক সময়ে বীজ ও কীটনাশক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারেক বলেন, “আমাদের দলের প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাদের প্রত্যেককে সচেতন থাকতে হবে। কেউ যেন বিএনপির নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পারে বা বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে।”
তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা কি কোনো ব্যক্তির কর্মী নাকি ধানের শীষের কর্মী? জাতীয়তাবাদী শক্তির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হলে তা বাস্তবায়ন করাই আমাদের দায়িত্ব। যেমন সম্মেলন সফল হয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সফল জনরায় আনতে সক্ষম হব।”
তারেকের বক্তব্যে উঠে আসে দলের ঐক্য, রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের সেবা নিশ্চিত করার গুরুত্ব। তিনি সকল নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো চলবে না।

