ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ‘প্রতীক’ বরাদ্দ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রতীক হাতে পাওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই দেশজুড়ে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে, যা উৎসবের আমেজ বয়ে আনবে রাজপথ থেকে অলিগলিতে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই মহাযজ্ঞ। ওইদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনের বিশেষত্ব হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে ভিন্ন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
এক নজরে নির্বাচনের পরিসংখ্যান
মোট ভোটার: প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ।
বৈধ প্রার্থী: দুই হাজারেরও বেশি। ভোটদান পদ্ধতি: স্বচ্ছ ব্যালট পেপার। প্রচারণা শুরু: ২২ জানুয়ারি থেকে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, প্রার্থীদের নামের তালিকা বাংলা বর্ণক্রমানুসারে সাজিয়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ প্রতীক বরাদ্দের সময় কঠোর নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে এবারের নির্বাচনে জালিয়াতির সুযোগ থাকবে না বলে আশা করছে কমিশন।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে দেশবাসী। বিশেষ করে একই দিনে সংসদ সদস্য নির্বাচন এবং গণভোটে মত প্রদানের সুযোগ জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নকে আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

