এম.শাহীন আল আমীন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি :
বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ অফিসকে বকশীগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত “পাবলিক টয়লেট” এর সাইন বোর্ড অপসারণ বা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কে বা কারা সাইন বোর্ডটি অপসারণ বা সরিয়ে ফেলেছেন তার নির্ভরযোগ্য তথ্য কেউ জানাতে পারেনি।
জানা যায়, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ অফিসে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়ে। ২১ ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।
জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও ভাষা শহীদদের দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগে সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতীলীগের যুগ্ন সম্পাদক রেজাউল করিম ও বগারচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহ নিয়াতসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা ও সদস্যবৃন্দ।
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের দোয়া মাহফিল করেন। বিষয়টি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় বকশীগঞ্জ উপজেলা গনঅধিকার পরিষদ সভাপতি শাহরিয়ার সুমন আওয়ামীলীগ অফিসকে পাবলিক টয়লেট ঘোষনা করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকালে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ বগারচর আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভকারীরা আওয়ামীলীগের দলীয় ও জাতীয় পতাকা অপসারণ করে আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বিক্ষোভকারীরা আওয়ামীলীগের সাইন বোর্ড অপসারণ করে আওয়ামীলীগ অফিসকে পাবলিক টয়লেট ঘোষনা দিয়ে পাবলিক টয়লেট” এর সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেন।
কিন্তু ২২ ফেবুয়ারি রোববার সকাল থেকে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ অফিসে “পাবলিক টয়লেট” লেখা সাইন বোর্ডটির কোন সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি।

