সত্যজিৎ দাস (মৌলভীবাজার):
সিলেটের মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী,বিএনপির চারবারের সংসদ সদস্য বেগম খালেদা রাব্বানীর প্রথম কন্যা শাগুফতা রাব্বানী দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সর্বস্তরের জনগণ এবং বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
একটি বাণীতে তিনি বলেন,“১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ, বাংলা সনের (১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) প্রথম দিন। এই নববর্ষের উষ্ণ লগ্নে সিলেটের শান্তিপ্রিয় জনগণসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। এই দিন থেকেই শুরু হয় নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার উদ্দীপনা।”
শাগুফতা রাব্বানী আরও বলেন,”বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি। নতুন এই বাংলাদেশে বিএনপি সরকার’ই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে গণতন্ত্র,বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার।”
উল্লেখ্য,শাগুফতা রাব্বানী মৌলভীবাজার আলী আমজদ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি,মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
শাগুফতা রাব্বানী এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তিনি নিয়মিত গজল গেয়ে থাকেন এবং তার গাওয়া গজল ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে প্রকাশিত হয়েছে। তার স্বামী মাকসুদ জামিল একজন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মিউজিক ডিরেক্টর।
রাজনৈতিক জীবনে শেগুফতা রাব্বানী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত। বিশেষ করে,স্বৈরাচারী শাসনামলে মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা করেছেন। তিনি জানান,গত ১৭-১৮ বছর ধরে নানা রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি এবং তার পরিবার দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা সড়কে তাদের পারিবারিক বাসভবন একসময় জেলা বিএনপির কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল। সেখানে তার মা,বেগম খালেদা রাব্বানী,জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং চারবার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

