পর্তুগালের হারে লাল কার্ড দেখে বড় শঙ্কায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগেই ‘ভালো ছেলে’ হয়ে খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু সেই প্রতিজ্ঞা রাখতে পারেননি তিনি। ডাবলিনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রোনালদো, আর ২–০ গোলে হারের ফলে বড় বিপদে পড়ে পর্তুগাল।
আয়ারল্যান্ড ফরোয়ার্ড ট্রয় প্যারটের জোড়া গোলে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে পর্তুগাল। জিতলেই সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত হতো, কিন্তু হারের ফলে এখন আর্মেনিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচেই ভাগ্য নির্ধারিত হবে। ‘এফ’ গ্রুপে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলেও সামান্য ভুল হলে ধাক্কা খেতে পারে পর্তুগাল।
লাল কার্ডে বড় শঙ্কা রোনালদোকে ঘিরে
ম্যাচের ৬১ মিনিটে আইরিশ ডিফেন্ডার দারা ও’শেয়ার পিঠে কনুই মারলে রেফারি প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান। পরে ভিএআর চেকের মাধ্যমে তা লাল কার্ডে রূপান্তর হয়। এটি পর্তুগালের জার্সিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-র প্রথম লাল কার্ড, যদিও ক্লাব ফুটবলে তিনি এর আগে ১২ বার মাঠছাড়া হয়েছেন।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী কনুই মারা বা আক্রমণাত্মক আচরণে কমপক্ষে তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ফলে এই শাস্তি কার্যকর হলে:
-
আর্মেনিয়ার বিপক্ষে শেষ বাছাই ম্যাচ
-
পর্তুগালের পরবর্তী দুই প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ
—সব জায়গায়ই থাকতে পারবেন না রোনালদো। অর্থাৎ ২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুতেও তাঁকে হারানোর শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
দলের হতাশা
ম্যাচ শেষে পর্তুগিজ মিডফিল্ডার বের্নার্দো সিলভা বলেন,
“আমরা জিততে পারিনি, দুঃখিত ও হতাশ। প্রতিপক্ষ খুব সংগঠিত ছিল, আমাদের সমস্যায় ফেলেছে।”
এখন তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির দিকে—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কয় ম্যাচ নিষিদ্ধ হবেন, সেটাই নির্ধারণ করবে পর্তুগালের বিশ্বকাপ পথ কতটা কঠিন হবে।

