ঈদের আনন্দের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। শনিবার (২১ মার্চ) রাত থেকে রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনী, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর ও কক্সবাজারে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কুমিল্লায় সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনায় ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে ১২ জন প্রাণ হারান। এছাড়া হবিগঞ্জে ৪ জন, ফেনীতে ৩ জন, কিশোরগঞ্জে ২ জন, সুনামগঞ্জে ২ জন এবং নওগাঁ, নাটোর ও কক্সবাজারে একজন করে নিহত হন।
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় ভোরে ট্রেন-বাস সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পানিতে ডুবে গেলে নারী ও শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়।
ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একাধিক যানবাহনের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামে বিয়ের আগের দিন প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়, যা এলাকায় শোকের ছায়া ফেলে।
কিশোরগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হন। সুনামগঞ্জে ঘুরতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু প্রাণ হারান।
এছাড়া কক্সবাজারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক এবং নওগাঁয় ভটভটি উল্টে এক কিশোর নিহত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল, বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণেই এসব দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদার না হলে এ ধরনের প্রাণহানি কমানো কঠিন হবে।