রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তারকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামক একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তারের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাতেমা বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা সজীব মিয়া ওই এলাকাতেই একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন। গ্রেপ্তারকৃত মিলন ওই রেস্তোরাঁতেই কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার সময় মিলন ওই বাসায় প্রবেশ করছেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা:
লুটপাটের উদ্দেশ্য: বাসায় লুটপাটের চেষ্টা করার সময় ফাতেমা বাধা দিলে তাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
পরিচিতির সুযোগ: পরিবারের পূর্ব পরিচিত ও বাবার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী হওয়ায় তিনি সহজে বাসায় প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।
খিলগাঁও থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং অন্য কোনো শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মিলনকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে।

