পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর আনন্দের বার্তা নিয়ে আসা এই উৎসবকে ঘিরে তিনি শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে বলা হয়, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দীর্ঘ এক মাস আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের পর এই দিনটি মানুষের জীবনে অনাবিল আনন্দ ও প্রশান্তি নিয়ে আসে। রমজানের শিক্ষা যেন কেবল এক মাসেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তা যেন ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিফলিত হয়, সেটাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য।
শুভেচ্ছা বার্তায় উল্লেখ করা হয়:
“রমজান আমাদের আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। ঈদ আমাদের ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।”
সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আরও বলা হয়, আনন্দের এই দিনে বিত্তবানদের উচিত দরিদ্র মানুষের সাথে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নেওয়া। এর মাধ্যমেই সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব আরও সুদৃঢ় হবে।
পরিশেষে, জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন শক্তিশালী করার প্রত্যাশা নিয়ে একটি মানবিক, উন্নত ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। মহান আল্লাহ যেন দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করেন—এই প্রার্থনার মধ্য দিয়েই বার্তাটি শেষ হয়।

