ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও উত্তর সিটির সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নির্দেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়ার পর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান ডিবি প্রধান। তিনি জানান, হত্যার মূল কারণ ছিল হাদির ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী-বিরোধী অবস্থান নেওয়া’।
শফিকুল ইসলাম আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার এবং ৫ জন পলাতক রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ভিডিওবার্তার মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে পারে, তবে তদন্তে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ১২ ডিসেম্বর, যখন তিনি রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে আসার সময় দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

