১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস শুরুতে চাপে পড়ে। মাত্র তিন ওভারে ১৪ রান তুলতে তারা দুটি উইকেট হারায়। তবে এরপর মাত্র ১০ বলেই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেন ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটার নাসির হোসেন।
চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ নবীর প্রথম তিন বলেই চার হাঁকান নাসির। পরের ওভারে পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতের চার বলও পাঠান বাউন্ডারির বাইরে, যার একটি ছিল ছক্কা। এই দুই ওভারে আসে ৩৫ রান। এরপর আর কোনো চাপের মুখে পড়তে হয়নি ঢাকাকে।
ফিফটি করতে নাসির খেলেন মাত্র ২১ বল। এটাই এবারের আসরে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। এর আগে রেকর্ডটি ছিল রংপুর রাইডার্সের কাইল মেয়ার্সের নামে, যিনি চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ২৩ বলেই অর্ধশতক করেছিলেন।
নাসিরের ব্যাটে ভর করে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ঢাকা ক্যাপিটালস জেতে ৭ উইকেটে, মাত্র ৩৫ বল হাতে রেখেই। এই ইনিংসে নাসিরের স্কোর ছিল ৯০ রানের অপরাজিত, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা। বল হাতে ৩ ওভারে ২৪ রান দিয়ে তিনি ১ উইকেটও নিয়েছেন।
পূর্ববর্তী ইনিংসে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৩ রান তুলেছিল। ৯.৩ ওভারে তারা ৪০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে ছিল। এই সময় দুই বিদেশি ব্যাটার মোহাম্মদ নবী ও হায়দার আলী দলকে লড়াইয়ে ফিরিয়ে নেন। তারা ৬১ বলে ৯১ রানের জুটি গড়েন। হায়দার আলী ৩৬ বলে ৪৭ রান করে আউট হন, নবী ৩৩ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন।
ঢাকা ক্যাপিটালসের অন্যান্য অবদানকারী খেলোয়াড় ইমাদ ওয়াসিম ১৬ বলে ২৯ রান করেন।
৫ ম্যাচে এটি ঢাকা ক্যাপিটালসের দ্বিতীয় জয়। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে হারানোর পর তারা তিনটি ম্যাচ হেরেছিল। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, যারা ৫ ম্যাচে এখনো জয় পায়নি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ২০ ওভারে ১৩৩/৬ (হায়দার ৪৭, নবী ৪২*; ইমাদ ১/১৬, নাসির ১/২৪)
ঢাকা ক্যাপিটালস: ১৪.৫ ওভারে ১৩৪/৩ (নাসির ৯০*, ইমাদ ২৯*)
ফলাফল: ঢাকা ক্যাপিটালস ৭ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: নাসির হোসেন
