বিগত বছরগুলোতে লক্ষ করা গেছে৷ যে, নওগাঁ জেলা আম উৎপাদনে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা হিসেবে নিজেকে জায়গা করে নিয়েছে। পোরশা এবং সাপাহার একত্রে বাংলাদেশের আমের শহর বলা হয়। সাপাহার কে বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
ঐতিহ্যগতভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ “আমের রাজধানী” হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিবেচনায় নওগাঁকেই দেশের নতুন “আমের রাজধানী” হিসেবে পরিগনিত করা হচ্ছে।
আজকের এই মুহুর্তে বা সময়ে সাপাহারের আমের বাগানের মাঝখানের পথ বেয়ে যেতে যেতে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে আপনি হারিয়ে যাবেন। কবি গুরুর ” ও মা ফাগুনে তোর আমের বোলে, লাইনটি মনে হবে বারবার । শতশত বাগানের মধ্যে, সারি সারি আম গাছ। আম গাছ গুলো বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে লাগানো হয়েছে। সেই সাথে প্রত্যেকটা গাছের পাশ দিয়ে সেচের নালা / ড্রেন দেওয়া আছে।
পোরশা- সাপাহার এলাকায় আম গাছ বা বাগান কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে স্থানীয়রা বলে থাকেন সড়কে অনেক অপরাধ করে রাতের বেলা আম গাছে লুকিয়ে থাকে ফলে, অপরাধীদের ধরাও কষ্টকর হয়। নওগাঁ জেলা পুলিশ পোরশা এবং সাপাহার এলাকায় আমবাগান কেন্দ্রিক যে কোন অপরাধ প্রতিরোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাপাহার থানা এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিক আম উৎপাদনে এবং বিক্রয় কার্যক্রমে পূর্ণ নিরাপত্তা বিধানে সাপাহার থানা সর্বাত্মক তৎপর রয়েছে। এছাড়াও পত্নী তলা উপজেলার শিহাড়া, নির্মইল, বাঁকরইল – এ ব্যপকভাবে আম উৎপাদন শুরু হয়েছে। গত বছর শেষ মৌসুমে পত্নী তলা উপজেলার উৎপাদিত আম সমগ্র দেশে ব্যপক সাড়া ও চাহিদার সৃষ্টি করেছিল,যেহেতু এখানে কীটনাশক ততটা ব্যবহৃত হয় না। শেষ কথা,নওগাঁর আম দেশ তথা বিশ্ব সেরা।

