মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান মিন অং হ্লাইং দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানী নেপিদোয় এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তিনি নতুন মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই দেশটি সেনা শাসনের অধীনে রয়েছে। এরপর ধাপে ধাপে পরিচালিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হ্লাইং সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে আসেন।
নতুন ঘোষিত নির্বাচনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর বড় অংশ অংশ নিতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলেছেন।
শপথ গ্রহণের পর হ্লাইং মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা, ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেন। তবে সমালোচকদের মতে, এটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রূপান্তর নয় বরং সামরিক শাসনের ধারাবাহিকতাকেই নতুন কাঠামোতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো বলছে, ভোট প্রক্রিয়া একপাক্ষিক ছিল এবং এতে প্রকৃত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সুযোগ সীমিত ছিল। ফলে পুরো নির্বাচন ঘিরে বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কূটনৈতিক মহলেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

