জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, বেশ কিছু গুরুতর ত্রুটির কারণে তার মনোনয়নপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ১. মামলার তথ্য গোপন করা। ২. ঋণখেলাপি হওয়া। ৩. জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকা।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মুজিবুল হক চুন্নু নিজে উপস্থিত না থাকলেও তার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর সেখানে উপস্থিত সাধারণ জনতা তাকে ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন।
উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি তার নিজ নির্বাচনী এলাকা (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) বা বাড়িতে আসেননি। এমনকি স্থানীয় জনতা তার বিরুদ্ধে এর আগে ঝাড়ু মিছিলও বের করেছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
কিশোরগঞ্জের সার্বিক চিত্র: রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ও ১৬ জনের বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ১টি মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
