আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করে গিয়েছিলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দিয়েছেন।”
এদিন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে দৃঢ় নেতৃত্ব এবং গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান মন্ত্রণালয়ের এই বিশেষ সম্মাননা গ্রহণ করেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নারীশিক্ষা প্রসারে বেগম খালেদা জিয়ার নেওয়া বিভিন্ন যুগান্তকারী উদ্যোগ দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে এবং তা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বিশেষ করে বিএনপির আমলে নারীর অধিকার সুরক্ষায় নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ বিভিন্ন সফল কর্মসূচির কথা তিনি গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন। নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার রক্ষায় সবাইকে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. জোবায়দা রহমান। তিনি বলেন, “নানা প্রতিকূলতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের স্বার্থে অটল থেকেছেন এবং লড়াই চালিয়ে গেছেন।” তিনি বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারবে। নারী দিবসকে সাম্য ও ন্যায়ের অঙ্গীকার হিসেবে পালনের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বেগম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি এ বছর সমাজ উন্নয়ন, শিক্ষা, অর্থনৈতিক সাফল্যসহ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে আরও পাঁচজন সফল নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

