উৎফল বড়ুয়া, সিলেট প্রতিনিধি :
সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটি তার ২৫ বছরের সাফল্য উদযাপন করেছে। বুধবার (০৪ মার্চ ২০২৬) বিকাল ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
শোভাযাত্রার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শান্তির প্রতীক পায়ড়া ও শুভেচ্ছা বেলুন উড়িয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তাজ উদ্দিন অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
আলোচনা সভা ও বক্তব্য লিডিং ইউনিভার্সিটির কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন ড. মো. রেজাউল করিম–এর সভাপতিত্বে বিকাল ২:৩০টায় গ্যালারী-১-এ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তাজ উদ্দিন।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছে দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী–এর সুদক্ষ কর্মপরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনার কারণে।
সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহিয়সী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী-এর অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি জানান, সবুজে ঘেরা স্থায়ী ক্যাম্পাসে মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের মাধ্যমে লিডিং ইউনিভার্সিটি মানবসম্পদ তৈরি করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পাঠদানের পাশাপাশি গবেষণা কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা দেশ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে কাজ করছে।
চতুর্থ সমাবর্তনের সফল সমাপ্তি এবং শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমের অগ্রগতি উল্লেখ করেন।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে যা অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিফলন।
তিনি বলেন, রাগীব নগর শিক্ষা নগরী–র মধ্যে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার বিস্তার ঘটেছে। সবশেষে সকলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্য কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, রজত জয়ন্তী উদযাপনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা প্রয়োজন।
শিক্ষার্থী হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, তাই তাদের দক্ষ ও সঠিকভাবে শিক্ষাদান করা গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদেরকে রুটিন কাজের বাইরে গড়ে তুলতে হবে প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিতে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হলেও স্বপ্নদ্রষ্টা দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী লিডিং ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন যে একদিন এটি শিক্ষার নেতৃত্ব দেবে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাকার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে, যার পিছনে ড. সৈয়দ রাগীব আলীর অবদান উল্লেখযোগ্য।
উপস্থিত সকলকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

