২০২৬ সালের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে অবদান রাখা মানুষ ও প্রতিষ্ঠানদের নিয়ে এক গর্বের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, সমাজসেবা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তরভাবে এই পুরস্কার পাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য পুরস্কার পাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মরণোত্তরভাবে সম্মানিত হচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম। চিকিৎসাবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা পাচ্ছে দেশের ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সাহিত্যে অবদানের জন্য মরণোত্তরভাবে পুরস্কার পাচ্ছেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী। সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত (এ কে এম হানিফ) এবং মরণোত্তরভাবে সম্মানিত হচ্ছেন বশির আহমেদ।
ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার পাচ্ছেন জোবেরা রহমান (লিনু)।
পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য মরণোত্তরভাবে সম্মানিত হচ্ছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং মাহেরীন চৌধুরী। একই ক্ষেত্রে পুরস্কার পাচ্ছে এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। পাশাপাশি সম্মাননা পাচ্ছেন সমাজসেবক মো. সাইদুল হক।
জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য মরণোত্তরভাবে সম্মানিত হচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।
পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য পুরস্কার পাচ্ছেন আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাওয়া এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়। তাদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে—এমন প্রত্যাশাই সবার।

