ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় যুবলীগ নেতা কর্তৃক বিএনপি কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের বড়কামদিয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী কামাল মাতুব্বর ওই গ্রামের মৃত আকমাল মাতুব্বরের ছেলে। অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক ও একই গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
অভিযোগকারী কামাল মাতুব্বর বলেন, আমি গতকাল তারাবি নামাজ শেষে কামদিয়া মোড়ে দোকানে এসে বসা মাত্র উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রচার সম্পাদক নুরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মাতুব্বর, ভাওয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে ইকবাল মাতুব্বর ও স্থানীয় ইলিয়াস মাতুব্বরের নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা করে।
হামলার সময় বাঁধা দিতে গেলে আমার ভাই আজিজুল মাতুব্বর, বরকত ও বাচ্চুর ওপর ও ওরা হামলা চালায়। আমার ভাই আজিজুল মাতুব্বর, বরকত ও বাচ্চু ওরা তিনজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমার হাতের আঙুল ও মাথা কেটে গেছে। ওরা আমাদের ওপর হামলার পরে আমার দোকান ও আমাদের লোকজনের বাড়িঘর ভাংচুর করে লুটপাট করেছে। আমি বিগত ১৩ বছর ওদের হামলার কারণে এলাকায় থাকতে পারি নাই। ওরা আমাকে কয়েকবার মেরে ফেলার হুমকি ও দিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু’র নিকট সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাই।
অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম বলেন, আমি ১৯ মাস দলপক্ষ করি না। বাড়িতেও থাকি না। আমি আওয়ামী করি দেখে আমাকে ফাঁসানোর জন্য ওরা আমার নামে মিথ্যা প্রচার করছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর আমি জানতে পেরেছি কামাল মাতুব্বরের সমর্থকদের সাথে ইলিয়াস মাতুব্বরের সমর্থকদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

