তৌহিদুর রহমান, শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুর জেলার ১৪৫ নম্বর আসন (ঝিনাইগাতী ও শ্রীবর্দী) নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চরমোনাই পীরের পার্থী বহাল থাকায় জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্ব ও ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর থেকে মনোনয়ন প্রক্রিয়া ও তফসিল ঘোষণার সময় চরমোনাই পীরের নির্বাচিত প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মোঃ ছাইফুদ্দিন মাঠে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।
মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত জামায়াতের সাথে কেন্দ্রীয় সমন্বয় না হওয়ায় চরমোনাই পীরের পার্থী নির্বাচনে নিজের সমর্থকদের নিয়ে স্বাধীনভাবে লড়াই চালাচ্ছেন। এর প্রভাব শেরপুরের দুই উপজেলায় ভোটের হিসাব নিকাশে প্রতিফলিত হচ্ছে, যার ফলে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের জন্য ভোটসংগ্রহে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইসলামি দলের মধ্যে ঐক্য থাকলে শেরপুরের তিন আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের সঙ্গে ভোটের লড়াই আরও তীব্র হতো। ইতিহাসে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে চরমোনাই পীরের পার্থীর সমর্থন ভোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আনে।
বর্তমানে ভোটের হিসাব অনুযায়ী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক এগিয়ে রয়েছে, তবে জামায়াত ও অন্যান্য প্রার্থীর পদক্ষেপ ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।

