জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে একজন ভারতীয় কূটনীতিকের সাক্ষাৎকে ‘নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ’ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এক ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্কের অংশ হিসেবে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে থাকেন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ভারতের এই যোগাযোগও সেই প্রেক্ষাপটেই বিবেচনা করা উচিত।
এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান জানান, ২০২৫ সালে বাইপাস সার্জারির পর ভারতের একজন কূটনীতিক তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তবে ভারতের পক্ষ থেকে সেই বৈঠকের তথ্য প্রকাশ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
রয়টার্সে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয় ৩১ ডিসেম্বর। এরপর বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। সমালোচনা ও কৌতূহলের প্রেক্ষাপটে জামায়াত আমির নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ব্যাখ্যাও দেন। সেখানে তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের কূটনীতিকদের মতো ভারতীয় কূটনীতিকও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন, তবে সেটি প্রকাশ্যে না আনার অনুরোধ ছিল ভারতের পক্ষ থেকেই।
সাক্ষাৎকার প্রকাশের প্রায় দুই সপ্তাহ পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দিল।

