ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে অগ্রিম টিকিট কেটে রাখা যাত্রীদের ঘরমুখী যাত্রা শুরু হয়েছে। তবে যাত্রার প্রথম দিন রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে তুলনামূলক স্বস্তিতে এবং ভোগান্তি ছাড়াই নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হতে পারছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার (১২ মার্চ) ভোর থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সকাল ৬টায় রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায় আন্তঃনগর ধূমকেতু এক্সপ্রেস। এরপর সকাল সোয়া ৬টায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস এবং সাড়ে ৬টায় সিলেটের উদ্দেশে পারাবত এক্সপ্রেস কমলাপুর স্টেশন ত্যাগ করে।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, দিনের শুরুতেই সব ট্রেন সময়মতো ছেড়ে যাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি। প্ল্যাটফর্মে প্রবেশে টিকিট বাধ্যতামূলক করায় অপ্রয়োজনীয় ভিড়ও দেখা যাচ্ছে না।
নির্ধারিত সময়ে ট্রেন চলাচল করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। অনেকেই বলছেন, আগের বছরের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রার শুরুটা বেশ স্বস্তিদায়ক।
এদিকে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা স্টেশন এলাকায় টহল দিচ্ছেন। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। টিকিট ছাড়া কেউ যাতে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য স্টেশনের বাইরে বাঁশের বেষ্টনীও দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, গত ৩ মার্চ থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। পাশাপাশি আজ থেকেই ঈদযাত্রার ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ১৯ মার্চ পর্যন্ত।

