আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫০ উইকেট নিয়ে এখনও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন সাকিব আল হাসান। শহিদ আফ্রিদি, লাসিথ মালিঙ্গা’র মতো কিংবদন্তিদের পেছনে ফেলে তিনি একাধারে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের চিহ্ন রেখেছেন। তবে বর্তমানে নির্বাসনে থাকা এই অলরাউন্ডারের সিংহাসন ঝুঁকিতে, এবং এবারের বিশ্বকাপে নতুন প্রজন্মের স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও রশিদ খান সেই শীর্ষ স্থান দখলের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন।
যখন সাকিব মাঠে থাকতেন, তখন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা তার অবদান থেকে একপ্রকার শক্তি ও উৎসাহ পেত। ব্যাট-বলের ঝড় ও মাঠে তার উপস্থিতি গ্যালারিকে গর্জে ওঠার মতো অনুভূতি দিত। কিন্তু বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার কারণে দেশের ক্রিকেটে নেমেছে শূন্যতার ছায়া। আইসিসির দ্বিমুখী নীতির কারণে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ বয়কট করতে হয়।
তবুও পরিসংখ্যানের পাতায় সাকিবের নাম আজও জ্বলজ্বল করছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫০ উইকেট নিয়ে তিনি রেকর্ড গড়েছেন, যা শহিদ আফ্রিদি বা লাসিথ মালিঙ্গার মতো তারকাদেরও ছাপিয়ে গেছে।
সাকিব ছাড়া এবারের বিশ্বকাপে তার শাসনকে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও রশিদ খান ইতিমধ্যেই ৩৭টি করে উইকেট নিয়ে শীর্ষস্থান দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লেখা হতে পারে, তবে ক্রিকেটপ্রেমীরা সহজে সাকিবের সেই প্রভাবিত বিচরণ ভুলবে না।
যদিও বাংলাদেশ এবারের বিশ্বকাপে নেই এবং সাকিবও মাঠের বাইরে, তবে নির্বাসনের পর লাল-সবুজের গৌরবময় জার্সি আবারও গায়ে উঠবে কি না, সেটি সময়ই দেখাবে।

