লিবিয়া ত্রিপলি বিরগানাম জাওয়াইয়া গুলশাল থানায় আটককৃত বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ২৬ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা এখন কারাগারে দেড় থেকে দুই বছর মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তাদের মা-বাবা, স্ত্রী, স্বজনরা বার বার তাগিদ দেয়ার পরেও কোন সুরাহা হয়নি। এ ব্যাপারে ৩০ নভেম্বর ২০২৫, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ভিকটিম শাহাদাৎ হোসেন আরমানের পিতা মোঃ আবু ছায়েদ। এসময় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার। ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভিকটিম আবু বকর এর ভাই আবু সাঈদ, দেলোয়ার শেখ এর মা রাহিমুন, আব্দুর রাজ্জাক এর স্ত্রী লাইজু আক্তার সুমি, সুমন হাওলাদারের স্ত্রী কামরুন্নাহার, আব্দুস সাত্তার এর ভাই আব্দুল গফ্ফার, মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের মা নূর আয়েশা সিদ্দিকা, মোঃ রাসেল এর মা সালমা বেগম, রেজাউল করিমের বোন ফাতেমা আক্তার, মোঃ রাজুর ভাই মোঃ রাকিব।
মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ভিকটিম পরিবারের সদস্যবৃন্দ। লিবিয়া ত্রিপলি বিরগানাম জাওয়াইয়া গুলশাল থানায় আটকৃতদের মধ্যে রয়েছেন আরমান, রাজু, পারভেজ, রাসেল, ফয়সাল, নাজমুল, নাসির, সাত্তার, সুমন, দেলওয়ার, সুমন মিয়া, সাজু, রাজ্জাক, আকাশ, ইসহাক, সাজ্জাদ, রেজাউল করিম, খলিল, আবুল কাশেম, আবু বক্কর, রুবেল, মোবারক, মুসা, জাকির, মাসুদ ও সৌরভ।
বক্তারা বলেন, আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে যদি সরকার কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে না পারে তাহলে আমরা প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা এবং লিবিয়া দুতাবাস বাংলাদেশ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবো এবং পরবর্তীতে যদি কোন সুরাহা না পাই আমরা ভিকটিম পরিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবো।

