জয়পুরহাটে ক্ষেতলালে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তির লিঙ্গ কর্তনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য।
রোববার ১ মার্চ সন্ধ্যায় ক্ষেতলাল পৌর এলাকার মুন্দাইল গ্রামে ঘটেচে এমন ঘটনা। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সন্ধ্যার আলো তখন নিভু নিভু। মুন্দাইল গ্রামের বাতাসে হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক আর ফিসফাস। একটি ঘর, একটি অভিযোগ, আর সেই অভিযোগ ঘিরে রক্তাক্ত এক অধ্যায়।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪২) ওই নারীর ঘরে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন। অভিযোগ, তিনি তাকে জড়িয়ে ধরে কুপ্রস্তাব দেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে নারীটি ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন নজরুল ইসলাম।
রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি প্রথমে যান ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। পরে সেখান থেকে পাঠানো হয় জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে। তবে হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে পাওয়া যায়নি তাকে।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামী সাংবাদিকদের বলেন, এর আগেও নজরুল ইসলাম আমার স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। সামাজিক সম্মানের কথা ভেবে বিষয়টি প্রকাশ করিনি। ঘটনার দিন স্ত্রী ঘরে বসে ছিলেন। তখন নজরুল ঘরে ঢুকে তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরেন। আত্মরক্ষার্থে স্ত্রী কৌশলে তাকে বিছানায় শোয়ার কথা বলে ব্লেড দিয়ে আঘাত করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নজরুল ইসলাম। মোবাইল ফোনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি। এরপরই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী মামলা করেছেন। ঘটনাটি আমরা গুরুত্বসহকারে দেখছি। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

