জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করা হয়নি এবং যতদিন সম্ভব দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আপাতত জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে যে সংকট আছে তা এককভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুতের কোনো সংকট নেই। গত সপ্তাহে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি সরবরাহ করেও মানুষের উদ্বেগ কমেনি, যা কোনো যৌক্তিক কারণে নয় বরং প্যানিক বায়িং বা অতিরিক্ত উদ্বেগের ফল।
তিনি আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে একটি পাইপলাইন আছে, যার মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ১৫ হাজার টন ডিজেল আসে। বাকি জ্বালানি ধারাবাহিকভাবে আসছে, এবং প্রয়োজন হলে ভারত থেকে আরও ডিজেল চাওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। পেট্রোল এবং অকটেন দেশের মধ্যে উৎপাদন ও পরিশোধিতভাবে পাওয়া যায়, শুধু ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের জন্য আমদানি নির্ভরশীল।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, দেশের পেট্রোল পাম্পে কোনো সংকট নেই এবং যেহেতু দাম বৃদ্ধি হয়নি, তাই শঙ্কা সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিক হবে। ১২ তারিখ আরও একটি জাহাজ থেকে জ্বালানি আসার কথা আছে।
তিনি বলেন, ক্রুড অয়েল মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে, হরমুজ প্রণালীর কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। পরিশোধিত তেল মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিংগাপুর থেকে আসে; বিকল্প হিসেবে আফ্রিকা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে।

