সামসুল হক জুয়েল, গাজীপুর প্রতিনিধি:
দেশ পরিচালনা করতে অভিজ্ঞতা অপরিহার্য, এবং সেই অভিজ্ঞতা কেবল বিএনপির কাছে আছে। অভিজ্ঞতা ছাড়া দেশের শাসন সম্ভব নয়—এমন বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক চুপাইর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গাজীপুর-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলনের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিএনপি বারবার দেশ পরিচালনা করেছে এবং দেশের অন্যতম জনপ্রিয় দল। সারাদেশে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং আজকের জনসভায় উপস্থিতি প্রমাণ করছে, আগামী সরকারের নেতৃত্ব বিএনপির দখলে থাকবে। তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি ফজলুল হক মিলনের হাতে ধানের শীষের প্রতীক তুলে দেন।
সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু সঞ্চালনা করেন, এবং সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির মাস্টার। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওমর ফারুক শাফিন, গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ধানের শীষের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন, শম্পা হক ও সদস্য সচিব চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী।
অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন—কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আশরাফী হাবিবুল্লাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান মিন্টু, সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা, গাজীপুর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মোল্লা, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, লন্ডন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হাসনাত করিম খান, গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসির আকরাম পলাশ, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান লাভলু, যুবদলের আহ্বায়ক আলী নুর হোসেন, সদস্য সচিব হাসানুর রহমান জুয়েল, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র লুৎফর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কালীগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি মাহফুজুর রহমান, যুগ্ম সেক্রেটারি মুফতি কাউছার আলম, সহ-সভাপতি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুনর রশীদ দেওয়ান, সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন সরকার, জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুহু, মোক্তারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক নয়নসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি ও হাজার হাজার সাধারণ ভোটার।

