ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ওপর হামলা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি এ ঘটনার বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয় বলেও মনে করছেন।
শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই একজন সম্ভাব্য সংসদ সদস্যের ওপর হামলা হলো। হামলার ধরন দেখলেই বোঝা যায় এটি পেশাদারভাবে পরিকল্পিত। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য অটুট রাখব এবং রাজনৈতিক বিতর্ক যতদূর সম্ভব একত্রিতভাবে মোকাবিলা করব।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই-২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা অনুযায়ী, আমরা জনগণের প্রত্যাশাকে সামনে তুলে ধরব। পতিত ফ্যাসিবাদকে এই বার্তা দিতে চাই যে, এ ধরনের হামলা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। আমাদের মধ্যে কোনো আপস নেই।”
এছাড়া দীর্ঘ ১৮ বছর পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নিরাপত্তার বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, “সকল রাজনৈতিক নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সরকারকে আহ্বান জানাবো। সরকারের দায়িত্ব থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের সচেতনতা জরুরি।”
তিনি জোর দেন, সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং রাজনৈতিক দলগুলো মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এই ধরনের ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, এরপর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

