ঢাকায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি বিভাগ পাঁচটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে আমদানি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ ঋণপত্র (LC) খোলার প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি পাঠিয়েছে এবং আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট হ্রাসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। পাঁচটি কোম্পানিকে অতিরিক্ত এলপিজি আমদানি করার অনুমতি দেওয়ার জন্য বিইআরসিকে অনাপত্তি চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ করা যায়। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর সংলগ্ন স্টোরেজ পরিদর্শনের মাধ্যমে সরবরাহ চেইনের প্রকৃত অবস্থা জানার জন্য কর্মকর্তাদের অফিস আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
এলপিজি ব্যবসায়ীরা বৃহস্পতিবার থেকে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। বিকেলে বিইআরসির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠক হবে এবং বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এলপিজি বিক্রি পুনরায় শুরু হবে বা বন্ধ থাকবে। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেছেন, সরবরাহ বৃদ্ধি এখনই সম্ভব নয়, তবে আমদানি বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই বাজারে সরবরাহ বাড়বে।

