শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে পাহাড় থেকে নেমে আসা বন্য হাতির আক্রমণে কৃষক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
উপজেলার সিংগাবড়ুনা ইউনিয়নের ঝুলগাঁও গ্রামের আরিংয়ের ঘোচা এলাকায় গরু চড়াতে গিয়ে তিনি বন্য হাতির আক্রমণের মুখে পড়েন। আহত কৃষক মো. চাঁনমল মিয়া (৬২) ঝুলগাঁও গ্রামের প্রয়াত টুনা শেখের ছেলে।
তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চাঁনমলের পরিবারের বরাত দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা সুমন মিয়া বলেন, “ওই কৃষক মাঠে গরু চড়াতে গিয়েছিলেন। তখন খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় থেকে নেমে আসা একটি হাতি তাকে আক্রমণ করে।
ঝুলগাও গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসেন বলেন, আগে ধান পাকার মৌসুমে হাতি আক্রমন করলেও, বন্য হাতির খাবার সংকট এর অভাবে মাঝে মধ্যেই লোকালয়ে আক্রমন করছে। হাতির আক্রমন ঠেকাতে আমাদের কোন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আমরা সব সময় আতংকগ্রস্ত ভাবে বসবাস করছি।
ঝুলগাও গ্রামের ইউপি সদস্য নুর আলম মিয়া বলেন বন্য হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকার কে এগিয়ে আসতে হবে, বন্য হাতির খাবার এর জন্য সংরক্ষিত বনায়ন প্রয়োজন, তিনি আরো বলেন লোকালয়ে বন্য হাতির আক্রমন ঠেকাতে বৈদ্যুতিক কাটা তার প্রয়োজন।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়া বলেন তাৎক্ষণিকভাবে বনবিভাগের পক্ষ থেকে আহত কৃষককে সহযোগিতা করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।