রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় রাফিয়া তামান্না নামে এক নারী সাংবাদিককে উত্যক্ত, হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দৈনিক ইংরেজি পত্রিকা নিউ এইজ-এ কর্মরত। এ ঘটনায় তিনি রামপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
What happened?
বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বনশ্রীর ই-ব্লকের তিন নম্বর সড়কের একটি জুসের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী রাফিয়া তামান্না জানান,
“আমি ও আমার ছোট ভাই রিশাদ বাসার সামনের জুসের দোকানে ছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন স্থানীয় যুবক আমাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে। আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তারা প্রথমে তাকে মারধর করে। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করে।”
He also said,
“আমরা নিজেদের বাসার সামনেই নিরাপদ নই। ছেলেগুলো এমনভাবে আচরণ করছিল যেনো তারা যা করছে, সেটাই তাদের অধিকার। আমার ভাই যখন প্রতিবাদ করল, তখন তারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এমনকি তারা আমাকে হেনস্তা করার পরও অকপটে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা রেপ করেছি, কী করবে?’”
মামলা ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

এ ঘটনায় রাফিয়া তামান্না জিসান ও পার্থিব নামে দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০-২০ জনের বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন.
রামপুরা থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ Said,
“প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কয়েকজন যুবক নারী সাংবাদিক ও তার ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে মামলা নেওয়া হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ
এই ঘটনার পর রাফিয়া তামান্না তার ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন,
“আমার নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই! আমাকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় আমার ভাইকে মারধর করা হলো, আমাকেও লাঞ্ছিত করা হলো। অথচ আশেপাশের কেউ এগিয়ে এল না। আমার চুল টেনে ধরে আমাকে হ্যাচকা টান দেওয়া হলো, বুকে আঘাত করা হলো, লাথি মারা হলো। চারপাশের সবাই দাঁড়িয়ে দেখছিল, কেউ কিছু বলেনি।”
তার এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই শেয়ার ও কমেন্ট করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং রাজধানীতে নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন.
নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি কতটুকু নিশ্চিত?
এ ঘটনার পর অনেকেই বলছেন,
- নারীরা শুধু রাস্তায় নয়, নিজেদের বাসার সামনেও নিরাপদ নন।
- আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের ঘটনা বাড়তেই থাকবে।
এখন দেখার বিষয়, পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পারে কি না।