পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এই নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, সাথিয়া উপজেলা পাবনা-১ এবং সুজানগর ও বেড়া মিলে পাবনা-২ আসন গণ্য হবে।
এর আগে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৪ ডিসেম্বরের গেজেটের মাধ্যমে পাবনা-১ ও ২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে। এ অনুযায়ী, পাবনা-১ আসনের বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে তা পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। তবে, এই গেজেট অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি চলার আগে আপিল বিভাগ ৫ জানুয়ারি এই সীমানা পুনর্নির্ধারণ স্থগিত করে।
গত ১৩ জানুয়ারি, পাবনা-১ ও ২ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়। পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এই আবেদন দায়ের করেন। আদালত তাদের শুনানি শেষে নির্বাচন যথাসময়ে আয়োজনের নির্দেশ দেন।
আদালতে ইসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
এই আদেশের ফলে সীমানা সংক্রান্ত সমস্ত বিতর্ক সাময়িকভাবে মিটেছে এবং নির্ধারিত সময়মতো ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচনের আয়োজন করা সম্ভব হবে।
