নির্বাচন সামনে রেখে কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে ডামি কার্ড বিতরণ করে ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, অতীতের ১০ টাকা কেজি চাল দেওয়ার প্রতিশ্রুতির মতোই এবারও জনগণকে প্রতারিত করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব অভিযোগ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, ‘১০ টাকার চাল আপনারা মনে হয় পেয়েছেন, আমরা কিন্তু পাইনি। জনগণও পায়নি। ঘরে ঘরে চাকরির প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন হয়নি। এসব বৈষম্যের কারণেই আমাদের ছাত্ররা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতনে ভূমিকা রেখেছে।’
হামিদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, এখন একই কৌশলে কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা কার্ডের বাহানা দিয়ে ঘরে ঘরে ডামি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। ভোটারদের বলা হচ্ছে—এই কার্ড আমরা দিয়ে যাচ্ছি, আমাদের ভোট দিলে এসব সুবিধা পাবে। এতে ভোটাররা প্রতারিত হচ্ছেন এবং ভোট প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, এসব কার্যক্রম বন্ধ করতে। অতীতের মতো যদি একইভাবে নির্বাচন প্রভাবিত হয়, তাহলে জনগণের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত হবে না।’
নির্বাচনী প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এ নেতা। তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু কর্মকর্তা ইতিমধ্যে বিতর্কিত হয়েছেন এবং নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একেক জায়গায় একেক নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে। শর্ত থাকলে সবার জন্য থাকুক, না থাকলে কারও জন্য না থাকুক।’
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারি অর্থায়নে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের নিরপেক্ষতা না থাকলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হবে না। দেশের মানুষ একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়।’

