সত্যজিৎ দাস, (মৌলভীবাজার প্রতিনিধি):
দেশের ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ পরিদর্শন,নিরীক্ষা ও তদন্ত প্রতিবেদনের তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)।
রোববার (১ মার্চ) ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন ৯৭৩টি প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত পরিদর্শন,নিরীক্ষা ও তদন্তের সারসংক্ষেপ ডিআইএর ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকায় সিলেট,মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। এগুলো হলো-
১) কানাইঘাট,সিলেট: জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া দাখিল মাদ্রাসা।
২) কমলগঞ্জ,মৌলভীবাজার: তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়।
৩) কুলাউড়া,মৌলভীবাজার: কুলাউড়া সরকারি কলেজ।
৪) কুলাউড়া,মৌলভীবাজার: লক্ষ্মীপুর মিশন উচ্চ বিদ্যালয়।
৫) বড়লেখা,মৌলভীবাজার: কেছরিগুল উচ্চ বিদ্যালয়।
৬) বড়লেখা,মৌলভীবাজার: তালিমপুর বাহারপুর উচ্চ বিদ্যালয়।
৭) শ্রীমঙ্গল,মৌলভীবাজার: দ্যা বার্ডস রেসিডেন্সিয়্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
৮) হবিগঞ্জ জেলা: জে ডি এম (জগদানন্দ দাস মোহন্ত) উচ্চ বিদ্যালয়।
৯) হবিগঞ্জ সদর: কবির কলিজিয়েট একাডেমি।
প্রতিবেদনে বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। এর মধ্যে;জাল ও ভুয়া সনদ ব্যবহার,
অগ্রহণযোগ্য সনদ জমা,অবৈধ নিয়োগ,অর্থ আত্মসাৎ,ভ্যাট ও আয়কর (আইটি) সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম।
ডিআইএ জানিয়েছে,প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর অনুলিপি সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর-মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর,মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের কাছেও ই-মেইলে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিস,শিক্ষা বোর্ড,ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছেও ই-মেইলে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
কোনো প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ই-মেইলে প্রতিবেদন না পেলে সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডি-নথি সিস্টেম থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে। সেখান থেকেও সংগ্রহ সম্ভব না হলে প্রতিষ্ঠানের লেটারহেডে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর আবেদন করে তার অনুলিপি director@dia.gov.bd ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
ই-মেইলে আবেদন পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ই-মেইলে পুনরায় প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে ০২৪১০৫৩৩৪৭ নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

