শেষের পথে পবিত্র রমজান, আত্মশুদ্ধির মাসে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার–এ পর্যটকের উপস্থিতি প্রায় নেই। বছরের বাকি সময়ে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়, কিন্তু রমজানে চেয়ার-ছাতা সাজানো থাকলেও পর্যটক হাতে-গোনা কয়েকজন। ৫ শতাধিক হোটেল-রিসোর্ট কক্ষ ভাড়ায় ছাড় দিলেও প্রত্যাশিত সাড়া মেলেনি।
সৈকতের ভ্রমণসেবা সংস্থার লাইফগার্ড, জেটস্কি ও বিচবাইক চালক, ভ্রাম্যমাণ ফটোগ্রাফার, ঘোড়াওয়ালা সবাই পর্যটক উপস্থিতির আশায় অপেক্ষা করছেন। বিচবাইক চালক মুহাম্মদ বলম জানান, “পরিবার চালানোর জন্যই বিচে আসি। লোকজন থাকুক বা না থাকুক, সেবা প্রদানে সচেষ্ট থাকি।” জেটস্কি চালক নাছির উদ্দিন বলেন, “গত এক মাস পর্যটকের সাড়া নেই, তবে অপেক্ষা করছি ভালো সময়ের।”
হোটেল ও রিসোর্ট মালিকরা জানিয়েছেন, রমজানে সর্বোচ্চ ছাড় থাকা সত্ত্বেও অতিথির সংখ্যা কম। তারকা হোটেলগুলো ৫০–৬০% পর্যন্ত ছাড় দিয়েছে। মেরিন ড্রাইভ হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, রমজান চলাকালীন সৈকত পর্যটকশূন্য হলেও ঈদের ছুটিতে চিরচেনা প্রাণ ফিরে আসবে।
জেলা প্রশাসক এমএ মান্নান বলেন, রমজান সিয়াম সাধনার মাস হওয়ায় কক্সবাজারে এবার নির্জনতা বিরাজ করছে। ঈদের ছুটিতে পর্যটন ব্যবসা জমে উঠবে বলে আশা করা যায়।

