বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেনসহ দুই কমিশনার। এরপর থেকে দুদক নেতৃত্বশূন্য অবস্থায় রয়েছে, যা থামিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগের ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের বিরুদ্ধে চলা দুর্নীতি অনুসন্ধান এবং কয়েক হাজার মামলার কার্যক্রম।
বর্তমানে কর্মকর্তারা অপেক্ষা করছেন নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ কবে এবং কীভাবে করা হবে তা জানতে। চেয়ারম্যান পদে সাবেক বিচারক মোতাহের হোসেন এবং এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান–এর নাম উঠে আসছে। তবে সংসদের প্রথম অধিবেশনে দুদকের নতুন অধ্যাদেশ বহাল এবং সার্চ কমিটি গঠনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ও টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানিয়েছেন, নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের ক্ষেত্রে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত সততার ওপর জোর দেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, যারা নিয়োগ পাবেন, তারা সংশ্লিষ্ট খাতে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পারদর্শী হতে হবে এবং অতীতে তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সততার প্রমাণ থাকতে হবে। এছাড়া, সরকারের নির্দেশনা মেনে চললেও তারা কখনও “গোলাম” মনোভাবের হবে না; স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও উল্লেখ করেছেন, ক্ষমতাসীন সরকার ও রাজনৈতিক দলের চাপ থাকা সত্ত্বেও নতুন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন এবং বলেন, সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

