খিলগাঁওয়ে এক স্কুলছাত্রের অপহরণ ঘটেছে। নবম শ্রেণির আফফান সাইদ বিকেলের দিকে সাইকেল চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তার পরিবারের কাছে ফোন আসে—৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে, না হলে তার জীবন বিপদে। ভুক্তভোগীর বাবা, সচিবালয়ের কর্মকর্তা খন্দকার শামীম, মুচড়ে পড়ে যান। তিনি যতজনকে পারেন, সবাইকে ফোন করে সাহায্য চান।
তবে এসময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ঘটে—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি তৎক্ষণাৎ রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলমকে ফোন করেন এবং শিশু আফফানকে নিরাপদে উদ্ধার করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে।
ছোট সময়ের মধ্যে, মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আফফানকে চামেলীবাগের একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবন থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। অপহরণকারীরা পালিয়ে যান। আফফানের বাবা খন্দকার শামীম স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন, “প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ না হলে হয়তো আমার সন্তানকে ফিরে পেতাম না।”
উদ্ধার অভিযান চলাকালীন পুলিশ মুক্তিপণ পাঠানোর ছল-চাতুরির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে। রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম জানান, অপহরণকারীরা স্থানীয় ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী। বিষয়টি এখন আরও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত আফফান নিরাপদে ফিরে আসে, আর পরিবার ও আশপাশের মানুষরা প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য কৃতজ্ঞ থাকেন।

