কুপিয়ে হত্যাকান্ডের পর আজগর আলী (৫৫) নামে এক কৃষকের নগ্ন লাশ সীমান্ত নদী জাদুকাটায় ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
বুধবার (০১ এপ্রিল রাতে) বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাটের মিয়ারচর উওর হাটির নিহতের ছেলে সৈয়দ মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দূবৃক্তদের অভিযুক্ত করে ওই মামলাটি দায়ের করেন। নিহত আজগর আলী পেশায় একজন কৃষক ও কুষি শ্রমিক ছিলেন।
তাহিরপুর থানার এসআই নাজমুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রসঙ্গত, রবিবার(২৯ মার্চ) রাতে বিশ্বম্ভরপুরের মিয়ারচর গ্রাম সংলগ্ন জাদুকাটা নদীর পাড়ে থাকা চরে আজগর আলীকে স্থানীয় লোকজন দেখতে পেলেও তিনি ওই রাতে আর বাড়ি ফিরেননি।
পরদিন সোমবার (৩০ মার্চ) তাহিরপুরের বাদাঘাটের কালিকাপুর (বিন্নাকুলি) গ্রামের পেছনে সীমান্ত নদী জাদুকাটার কৃষক আজগর আলীর ভাসমান নগ্ন লাশ তাহিরপুর থানা পুলিশ উদ্ধার করেন। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি কালে পুলিশ নিহতের শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রদ্বারা কুপানো, জখম দেখতে পেয়ে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহত আজগর আলীর ছেলে সৈয়দ মিয়া বলেন, বৈশাধী বোরো) ধান কাটার শ্রমিক সংগ্রহের জন্য আমার বাবা ঘটনার রাতে বের হয়েছিলেন। অজ্ঞাতনামা দুবৃক্তরা কুপিয়ে রক্তার্থ জখম করে হত্যাকান্ড নিশ্চিত করে গুমের জন্য আমার বাবার নগ্ন লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।
তাহিরপুর থানার মামলার তদন্তকারি অফিসার এসআই নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে বিশ্বম্ভরপুরের মিয়ারচরে জাদুকাটা নদী তীরবর্তী একটি মৎস খামারের সিঁঁড়িতে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে,জব্দকরা হযেছে কিছু আলামত। ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের ঘটনা হলেও পুলিশের একাধিক ইউনিট ওই হত্যকান্ডের ঘটনাটি ছায়া তদন্ত করছেন, খুব শ্রীঘ্রই হত্যকান্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তদন্তকারি অফিসার পুলিশের এসআই নাজমুল।

