বাংলাদেশে একমাত্র বিএনপিই দুর্নীতির লাগাম টানতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন সবখানেই দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার উপর নির্ভরশীল। যদি এই দুটি বিষয় নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে নারী, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতসহ সকল উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, “দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার লাগাম টানতে হবে। এই দুই বিষয় সফল না হলে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এই বাংলাদেশে যদি দুর্নীতির লাগাম টানার প্রয়োজন হয়, তবে সেটি একমাত্র জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষেই সম্ভব। কারণ অতীতে আমরা করেছি, ভবিষ্যতেও আমরা করতে পারব।”
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়েছে এবং এক কাতারে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করেছে। আজ দেশ গড়ার পরিকল্পনা সফল করতে হলে জনগণকে ভালো অবস্থানে রাখতে সকলকে একত্রে কাজ করতে হবে।
তারেক রহমান ৫ আগস্টের ঘটনা স্মরণ করে বলেন, “সেদিন স্বৈরাচারী সরকার পালিয়ে যায়। তখন আমার দলের মহাসচিব আমাকে জাতীয় সরকারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমি জানাই, আমরা জনগণের রায় মেনে চলব, তাদের কাছে পৌঁছাব। সেই সময়ই মনে করেছিলাম, জাতীয় সরকারের বাইরে থেকে জনগণের কাছে যেতে হবে। আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সেটিই।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, “দেশকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার একমাত্র উপায় হলো গণতন্ত্র। যদি আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি এবং জনগণের মতামতকে প্রধান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করি, তবে সকল ষড়যন্ত্র আমরা রুখে দিতে সক্ষম হব।”
তিনি দলের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

